মরুভূমিতে একশ কোটি গাছ লাগাবে সৌদি আরব

বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম, পরিবেশ দূষণকারী ও শীর্ষ তেল রপ্তানিকারক ,দেশ সৌদি আরব। দেশটিতে শনিবার, ২৩ অক্টোবর, শুরু হওয়া, একটি পরিবেশ বিষয়ক সবুজ সম্মেলনে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় নিজ পরিকল্পনা পেশ করবে।

এর অংশ হিসেবে মরুভূমিতে অন্তত ১ শত কোটি গাছ লাগাবে দেশটি। গত মার্চ মাসে সৌদি গ্রিন ইনিশিয়েটিভ নামে একটি প্রকল্প ঘোষণা করা হয়।

গ্লাসগোতে ৩১ অক্টোবর থেকে ১২ নভেম্বর অনুষ্ঠিতব্য ২৬তম জাতিসংঘের জলবায়ু সম্মেলন বা কপ-২৬ এ দেশটি বিশ্ব উষ্ণায়ন মোকাবেলায় কার্বন নির্গমণের বিষয়ে একমত হওয়ার আশা করছে। মেট্রো নিউজ এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

সৌদি আরব প্যারিস জলবায় চুক্তিতে স্বাক্ষরকারী একটি দেশ। এখনও জাতীয়ভাবে কার্বন নির্গমণ কমানোর নির্ধারিত অবদান ঘোষণা করেনি দেশটি। বিশ্বব্যাপী গড় তাপমাত্রাকে প্রাক-শিল্প বিপ্লব কালের আগের তাপমাত্রা ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের উপরে বাড়তে না দেওয়ার প্রচেষ্টা চলছে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইইউ চায়, সৌদি আরব ২০৩০ সালের মধ্যে মিথেনের নির্গমন ৩০ শতাংশ কমিয়ে আনতে একটি বৈশ্বিক উদ্যোগে যোগ দিক। মার্কিন জলবায়ু বিষয়ক দূত জন কেরি রিয়াদ আয়োজিত মধ্যপ্রাচ্যের বৃহত্তম সবুজ সম্মেলনে ২৫ অক্টোবর অংশ নেবেন।

খবরে বলা হচ্ছে, সৌদি আরব ২০৩০ সালের মধ্যে নবায়নযোগ্য জ্বালানি থেকে তার চাহিদার ৫০ শতাংশ উৎপাদন ও মরুভূমিতে কোটি কোটি গাছ রোপণের উদ্যোগ নিয়েছে। এর মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী অবদানের ৪ শতাংশেরও বেশি কার্বন নিংসরণ হ্রাস করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে দেশটি।

সৌদি আরব এখনও নেট-জিরো গোল নির্ধারণ করতে পারেনি। অথচ সংযুক্ত আরব আমিরাত চলতি মাসের শুরুর দিকে ২০৫০ সালের মধ্যে নিট-জিরো নিঃসরণের পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে।

বলা হচ্ছে, ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান তার উচ্চাকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে তেলের আয়ের ওপর অনেক বেশি নির্ভরশীল। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সৌদির নতুন সৌর ও বায়ু প্রকল্পের ফল খুব তাড়াতাড়ি পাওয়া যাবে। এপ্রিল মাসে শুরু হওয়ার পর বায়ু বিদ্যুৎকেন্দ্রটি আগস্টে উৎপাদন শুরু করে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *